স্পেশাল অলিম্পিকস ইয়াং অ্যাথলেটস প্রোগ্রাম

                                                             ইয়াং অ্যাথলেট প্রোগ্রাম 


স্পেশাল অলিম্পিকস ইয়াং অ্যাথলেটস শিশুদের জন্য এমন একটি ক্রীড়া ও খেলা বিষয়ক কার্যক্রম যা ২ থেকে ৭ বছর বয়সী যে কেউ এমনকি বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতার শিকার বিশেষ শিশুরাও খেলতে পারে । ইয়াং অ্যাথলেটস কার্যক্রমে সাধারণ ক্রীড়া দক্ষতা যেমন দৌড়ানো , লাথি দেওয়া, নিক্ষেপ করা এসব শেখানো হয় । এই কার্যক্রম পরিবার , শিক্ষক, সেবাদানকারী, কাছের মানুষ ও সমাজের সবাইকে শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলার আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ দেয়। সব ধরনের সক্ষমতা শিশু এতে অংশ নেয় এবং উপকৃত হয় ।



শিশুরা শেখে কীভাবে সবার সঙ্গে খেলতে হয় এবং শেখার জন্য দরকারি দক্ষতাগুলোর বিকাশ ঘটায় ।এছাড়া শিশুরা ভাগাভাগি করতে শেখে , ঘুরতে শেখে এবং নির্দেশনা অনুসরণ করতে শেখে । এসব দক্ষতা পরিবার , সমাজ ও স্কুলের কার্যক্রমে শিশুদের সাহায্য করে।
ইয়াং অ্যাথলেটস শিশুদের সুস্থ রাখার একটি আনন্দদায়ী কার্যক্রম । শৈশব থেকেই শিশুদের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি । এগুলো শিশুদের শারীরিক কসরত, বন্ধুত্ব ও শিক্ষা গ্রহণে সারাজীবন কাজে লাগে । ইয়াং অ্যাথলেটস কার্যক্রমটি সহজ ও সবার জন্য মজার । এটা ঘরে, স্কুলে কিংবা মহল্লায় হতে পারে। কিছু সাধারণ সামগ্রী থাকলে ইয়াং অ্যাথলেটস কার্যক্রম গাইড মেনে এটি যে কোনও জায়গায় পরিচালনা করা সম্ভব ।
ইয়াং অ্যাথলেটসের মাধ্যমে সব শিশু, তাদের পরিবার ও মহল্লার মানুষ যেন একটি দলের অংশ হয়ে ওঠে।

”আমার সন্তান জন্মের সময় যখন আমি বুঝতে পারি সে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী , তখন আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। তবে ইয়াং অ্যাথলেটসে দেওয়ার পর আমি দেখি সে চলাফেরা করছে, হাসছে , অন্যদের সঙ্গে মিশছে , আমার স্কার্ট আকড়েঁ ধরে থাকছে না । এটা দেখে আনন্দে আমার চোখে জল এসে যায় । আমার আবার বিশ্বস জন্মে একদিন সেও স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারবে । আমি এখন স্বপ্ন দেখার সাহস পাই এবং পরিকল্পনা করি যখন সে বড় হবে তখন তার সঙ্গে আমি বেসবল খেলবো ”
                                                                                           --------------------- মিসাই, জাপান



                                                             we‡k¦i RbmsL¨vi cÖvq 2 fvM eyw× cÖwZeÜx | †mB wnmv‡e evsjv‡`‡k cÖvq 34 jÿ gvbe mšÍvb eywØ cÖwZeÜx | G‡`i g‡a¨ †gavi m¤ú~Y© weKvk nqwb | Giv mnR, mij Ges †mvRv c‡_i gvbyl | ZvB eywØm¤úbœ e¨w³iv Gme AeyS mšÍvb‡`i wewfbœfv‡e Zv‡`i b¨vh¨ AwaKvi †_‡K ewÂZ K‡i| wcZv - gvZv I cwievi Qvov G RM‡Z Zv‡`I AmnvqZ¡ `y:L, Kó †KD †ev‡S bv, †evSvi †Póv K‡ibI bv | ZvB mgv‡R Giv Ae‡nwjZ n‡q emevm Ki‡Q| wKš‘ GB AeyS wkï‡`i fv‡jvfv‡e cÖwkÿY w`‡Z cvi‡j Ges mwVK c‡_ cwiPvjbv Ki‡Z cvi‡j Zv‡`i myß  ÿgZv I cÖwZfv weKvk jvf K‡i| †¯úkvj Awjw¤úKm GB Rb‡Mvwôi Rb¨ wbijmfv‡e G KvRwU Ki‡Q|


                                                              AvšÍR©vwZK †¯úkvj Awjw¤úK‡mi cÖwZôvZv BDwbm †K‡bwW m&ªvBfvi | Zvi Ges Av‡gwiKvi cÖqvZ †cÖwm‡W›U Rb Gd †K‡bwWi †QvU †evb †ivR‡gwi wQ‡jb eyw× cÖwZeÜx | BDwbm †K‡bwW †ivR‡gwi‡K Qwe AvuK‡Z w`‡jb Ges m½x‡Z AvK…ó Ki‡Z ‡Póv Ki‡jb  †jLvcov †kLv‡bvi †Póv Ki‡jb|wKš‘ Gme †Póv †ivR‡gwi‡K wKQz‡ZB AvK…ó Ki‡Z cvij bv| wKšÍy BDwbm †K‡bwW jÿ¨ Ki‡jb †h, †ivR‡gwi †Ljvayjvq Avb›` cv‡”Q , †Ljvayjvq Ask wb‡”Q | wZwb Zvi kn‡ii me cÖwZeÜx mšÍvb‡`i wb‡q wewfbœ cÖwZ‡hvwMZvg~jK †Ljvayjvi Av‡qvRb Ki‡jb | †`Lv †Mj cÖvq cÖwZwU eyw× cÖwZeÜx mšÍvb †Ljvayjvq †ek fv‡jv Ki‡Q| AvR †ivR‡gwii †mB †QvÆ µxov½b AvšÍR©vwZK †¯úkvj Awjw¤úK‡m cwiYZ n‡q‡Q| 1968 mv‡j †¯úkvj Awjw¤úKm Iqvì© †Mgm Av‡qvR‡bi ga¨ w`‡q hy³iv‡óª hvÎv ïiæ K‡i †¯úkvj Awjw¤úKm | AvR we‡k¦i 172 wU †`‡ki cÖvq 50 jvL eyw× cÖwZeÜx gvbyl‡K bZzb Av‡jv †`wL‡q‡Q †¯úkvj Awjw¤úKm | †¯úkvj Awjw¤úK‡mi mv‡_ evsjv‡`k hy³ nq 1994 mv‡j Ges GiBg‡a¨ Avgiv 40 nvRv‡ii †ewk eyw× cÖwZeÜx gvbyl‡K 11wU †Ljvq cÖwkÿY w`‡qwQ | Zv‡`I A‡b‡KB AvšÍR©vwZK B‡f‡›U Ask wb‡q †`‡ki Rb¨ ‡MŠie e‡q G‡b‡Q| 1995 †_‡K 2017 mvj ch©šÍ cÖwZwU AvšÍR©vwZK µxov cÖwZ‡hvwMZvq GB †¯úkvj A¨v_‡jUiv Af’Zc~e© mdjZv jvf K‡i‡Q| GB Amvgvb¨ †¯úkvj A¨v_‡jU‡`i mvdj¨ Mv_vi ¯^xK…wZ gvbbxq cÖavbgš¿x †kL nvwmbv w`‡q‡Qb| wZwb me©vZ¥Kfv‡e mn‡hvwMZvi nvZ cÖmvwiZ K‡i‡Qb| ZvB †Zv AvR evsjv‡`‡ki µxov½‡b Avgv‡`I GB †¯úkvj µxovwe`iv ˆbc~Y¨ cÖ`k©b K‡I Af~Zc~e© mvdj¨ AR©b K‡i P‡j‡Q| †¯úkvj Awjw¤úKm evsjv‡`k eyw× cÖwZeÜx‡`i Rb¨ GKwU m~h© m¤¢vebv| ÕAvgivI cvwiÕ Ges ÕAvgiv A‡Rq Õ cÖwZaŸwbZ †nvK me N‡I me cwiev‡i| 



     
বাংলাদেশ তথা বিশ্বের সমাজে সবচেয়ে অসহায় , অবোধ , অবুঝ , সবচেয়ে বেশি সুবিধা বঞ্চিত শিশু হচ্ছে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু/ ব্যক্তিরা । অন্য প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী) শিশুদের মেধা থাকার কারণে তারা তাদের অধিকার আদায়ের প্রচেষ্টা চালাতে সক্ষম হয়। কিন্তু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু/ব্যক্তিদের মেধা ভারসাম্যহীন থাকার কারণে তারা তাদের কোনো অনুভূতিও প্রকাশ করতে পারেনা । এ কারণে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু/ব্যক্তিরা পরিবারের তথা বিশ্বে বোঝা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে ।
কারণ , এই শিশুদের মেধা ভারসাম্যহীন থাকায় তারা স্বাভাবিক শিশুদের মতো লেখাপড়া করতে পারে না , দৈনন্দিন কাজ করতে পারে না , সামাজিক কোনো কাজে/ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারে না । তাই তারা যেন নিজের ওপর নির্ভরশীল হতে পারে, দৈনন্দিন কাজ করতে পারে এবং সামাজিক , জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন কাজে / কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারে , সেজন্য দরকার বিশেষ শিক্ষার প্রশিক্ষণ ও বিনোদন । আমি ব্যক্তিগতভাবে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে যে অপ্রত্যাশিত ফলাফল পেয়েছি তা হলো একমাত্র খেলাধুলার মাধ্যমে একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু শারীরিক , মানসিক উন্নয়নসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাজের মূলস্রোত ধারায় সম্পৃক্ত হতে সহযোগিতা পেতে পারে । যার প্রতিফল হিসেবে তাদের বাব-মা ও পরিবার অনেক বড় ধরনের হতাশামুক্ত হওয়ার উৎস খুজে পাবে।


                                                                     
                                                                                  বাংলাদেশ তথা বিশ্বের সমাজে প্রতিষ্ঠিত বিত্তবান,প্রভাবশালী,জনগণের প্রতিনিধি এবং জনগণের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা যে সব শিশু / ব্যক্তিদের নিয়ে চিন্তা করেন না, যাদের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ান না, যাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন না, তারা হচ্ছে এই সমাজেরই বসবাসকারী সবচেয়ে  অবহেলিত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু/ব্যক্তি ।স্পেশাল অলিম্পিকস বাংলাদেশ এবং স্পেশাল অলিম্পিকস আন্তর্জাতিক সমাজে বসবাসকারী সবচেয়ে অবহেলিত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু/ব্যক্তিদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নসহ সামাজিক , জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তাদেরকে বিভিন্ন খেলাধূলার কার্য্ক্রমে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সমাজে মূলস্রোতধারায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে ব্যাপকভাবে অবদান রাখছে এবং সারা বিশ্বে খেলাধূলার উপকারিতার মাধ্যমে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুর বাবা-মাসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতার আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।ইয়াং অ্যাথলেটস শিশু ও তাদের পরিবারকে স্পেশাল অলিম্পিকসের ভুবনে স্বাগত জানায় । এই কার্যক্রমের কয়েকটি লক্ষ্য রয়েছে ।

১. স্বাভাবিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুরা একসঙ্গে খেলবে এবং পরস্পরকে জানবে ও বুঝবে ।
২. সমাজের অংশ হিসেবে সবাই যেন স্কুল , মহল্লা ও বাসায়  একসঙ্গে খেলতে পারে তার ব্যবস্থা করা ৩. দক্ষতা ও যোগ্যতার ধাপ অনুযায়ী শিশুদের কাজ ও খেলা শেখানো ।
৪. স্পেশাল অলিম্পিক কীভাবে পরিবারকে সহায়তা করতে পারে সেটি সবাইকে বোঝানো ।
৫. দেখানো যে সব শিশুদের তাদের প্রতিভা ও দক্ষতা অনুযায়ী মূল্যায়ন করা উচিত ।
৬. সুস্বাস্থ্যের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া  এবং কীভাবে সক্রিয় থাকা যায় , স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যায় ও বিশুদ্ধ পানি পান করা যায় সে বিষয়ে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া ।
স্পেশাল অলিম্পিকস ইয়ং অ্যাথলেটস এর মাধ্যমে সবাই উপকৃত হয় ।

মোটর দক্ষতা :
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিছু শিশু ইয়াং অ্যাথলেটস এর আট সপ্তাহের পাঠ্যক্রমে অংশ নিয়েছিল । এতে দেখা যায় , মোটর দক্ষতায় তাদের সাত মাসের উন্নতি হয়েছিল । আর যারা এই কার্যক্রমে অংশ নেয়নি তুলনা করে দেখা গেছে , মোটর দক্ষতায় তাদের উন্নতি হয়েছিল তিন মাস ।

সামাজিক , আবেগগত ও শিখন দক্ষতা:
যেসব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু  ইয়াং অ্যাথলেটস এর কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিল তাদের ববা – মা ও শিক্ষকরা বলেছেন, শিশুরা এখানে যে দক্ষতাগুলো অর্জন করেছে সেগুলো তাদের প্রাক – প্রাথমিক বিদ্যালয় কাজে লাগবে । এই কার্যক্রমে শিশুরা ছিল বেশ  আগ্রহী ও আত্মবিশ্বাসী । তারা অন্য শিশুদের সঙ্গে ভালো খেলা করেছে ।

প্রত্যাশা :
পরিবারের সদস্যরা জানান , ইয়াং অ্যাথলেটস কার্যক্রম সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের আশা জুগিয়েছে ।

খেলাধুলার প্রস্তুতি : 
ইয়াং অ্যাথলেটস শিশুদের দরকারি নড়াচড়া করতে ও ক্রীড়া দক্ষতা তৈরিতে সাহায্য করে । এসব দক্ষতা বড় হওয়ার সঙ্গে তাদের আরও বেশি করে খেলাধুলা করতে সাহায্য করবে ।

গ্রহণযোগ্যতা:
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছাড়াও সব শিশুদের জন্য দলীয় খেলাধুলা মঙ্গলজনক ।এতে করে তাদের বোঝাপোড়া ভালো হয় ও গ্রহণ করার মানসিকতা তৈরি হয় ।

স্পেশাল অলিম্পিকস ইয়াং অ্যাথলেটস এর জন্য তিনটি মডেল :

১. স্কুল মডেল :
স্কুলের প্রশিক্ষকদের নেতৃত্বে এই কার্যক্রম চলবে । স্কুলের সময়ই এটি পরিচালনা করা হয় । সপ্তাহে ১ দিন হলেও এটি চলবে । সবচেয়ে ভাল হয় ৩ দিন পরিচালনা করলে । এটা প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যক্রমেও থাকতে পারে ।



২. কমিউনিটি বা সমাজ : ইয়াং অ্যাথলেটস কোচ ও সেচ্ছাসেবকদের নেতৃত্বে  এই কার্যক্রম পরিচালনা হবে । এতে করে অভিভাবক , ভাইবোন ও বন্ধুরা সবাই একত্রিত হওয়ার সুযোগ পায় । এটি কোন স্পোর্টস ক্লাব , বিনোদোন কেন্দ্রতেও হতে পারে । প্রতি সপ্তাহে একবার এমন কার্যক্রম চলতে পারে । বাকি দুইদিন বাসাতেই অনুশীলন করতে পারে শিশুরা ।




৩. হোম বা বাড়ি : বাবা- মা , ভাই- বোন  ও বন্ধুরা বাড়িতে একসঙ্গে খেলতে পারে । এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই মডেল খুবই ভাল । পারিবারিক কর্মসূচির বাড়ির ভেতরে সপ্তাহে অন্তত তিনদিন পরিচালনা করা যেতে পারে । এই কার্যক্রম একজন – একজন কিংবা ছোট  গ্রুপেও করা যেতে পারে । 

ইয়াং অ্যাথলেট কার্যক্রমের ধাপসমূহ: 

মৌলিক  দক্ষতা : মৌলিক বিষয়গুলোতে শিশুরা নিজেদের ও চারপাশের সম্পর্ক নিয়ে অবগত হয় । তারা নিজেদের ও চারপাশের সম্পর্ক নিয়ে অবগত হয় । তারা নিজেদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়েও সচেতন হয়। শরীরের প্রতি সচেতনতা , শক্তি, নমনীয়তা, সমন্বয় ও সহনশীলতা সামাজিক জীবনে খুবই প্রয়োজন । মৌলিক বিষয়গুলো এই গুণই শিশুদের মধ্যে গড়ে তোল । বাড়ি , স্কুল ও সমাজের জন্য এটি খুবই প্রয়োজন ।
রুমাল খেলা : এই খেলায় শিশুদের মাথা ও চোখের সামনে রুমাল ঘোরাতে হবে এবং তাদের রুমালটির দিকে নজর দিতে বলতে হবে । হঠাৎ এই রুমালটি ফেলে দিতে হবে এবং তাদের বলতে হবে রুমালটি ধরো । সে তার হাত, মাথাম পা বা শরীরের যে কোন অংশ দিয়ে রুমালটি ধরতে পারবে
দলগত খেলা : শিশুরা একে অপরের দিকে রুমাল ছুড়ে মেরে খেলাটি খেলতে পারে । সেক্ষেত্রে একজন অপরজনের ছুড়ে মারা রুমালটি ধরবে । একসময় সংখ্যা , রং, কিংবা প্রাণীর নাম শিখিয়ে খেলাটি পরিচালনা করা যায়
স্বাস্থ্যকর খেলা : যতবার রুমাল অন্যকে ছুড়ে মারবে ততবার একটি ফল বা সবজির নাম বলার জন্য শিশুদের উৎসাহিত করা যেতে পারে । আই স্পাই : শিশদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই খেলার আয়োজন করা হয় । তাদের বলা হয় চারপাশে ভালো করে খেয়াল করতে । এরপর কোন নির্দিষ্ট বস্তুর নাম বলা এবং শিশুরা সেটা নিয়ে আসে । আস্তে আস্তে খেলার সঙ্গে রঙ ও আকৃতির ব্যাপারও যুক্ত করা হয় । কখনও কখনও স্বাস্থ্যসম্মত বস্তু নিয়ে এটি খেলা হয় ।
বাধা পেরুনো : এই খেলার জন্য বেশকিছু বাধা তৈরি করতে হয় । এজন্য যেকোন বস্তুই ব্যবহার করা যেতে পারে । যেমন- বাঁশ , হুপ, চেয়ার কিংবা বেঞ্চ দিয়ে শিশুর পথরোধ হতে পারে । এরপর তাদের ওই বাধা পেরিয়ে আসতে বলা হয় । ৩ ভাবে – ওপরে ও নিচে, দ্রুত ও আস্তে, এবং কোনকিছু সহ ও ছাড়া ।
মিউজিকাল মার্কার : মিউজিক চলা অবস্থাতেই শিশুদের দৌাড়াতে বলতে হবে । পেছনে হাঁটতে , কখনোবা গড়িয়ে গড়িয়ে যেতে বলতে হবে । যখনই মিউজিক থেমে যাবে তখনই যেন তারা কোন ফ্লোর মার্কার খুঁজে দাঁড়িয়ে পড়ে । এরপর সবগুলো মার্কার খুঁজে মাঝে রাখা একটি বাক্সে জমা করতে হবে ।
স্বাস্থ্যকর খেলা : ফ্লোর মার্কার ব্যবহারের সময় এটি কোন ফল কিংবা সবজির আকৃতিতে রাখা যেতে পারে । সুড়ঙ্গ ও সেতু : বড় ও শিশুরা মাটিতে হাত দিয়ে চাপ দিয়ে পিঠ উঁচু করে সুড়ঙ্গ তৈরি করবে । অন্য শিশুরা এর ভিতর দিয়ে যাবে । হাত ও হাটু দিয়ে সেতুও তৈরি করতে পারে বড়রা । শিশুরা সেই সেতুতে ওঠার চেষ্টা করবে ।
অ্যানিমেল গেমস : এই খেলাই শিশুদের বিভিন্ন প্রাণীর মতো হাঁটতে বা অঙ্গভঙ্গি করতে বলতে হবে ।
ব্যাঙের মত :

ব্যাঙ লাফ
ব্যাঙ যেভাবে লাফিয়ে চলে সেভাবে লাফাতে হবে বাচ্চাদের । এই খেলার মাধ্যমে শিশুরা বাথরুমে বসতে পারবে কারো সাহায্য ছাড়াই , অর্থাৎ নিজে নিজেই বাথরুম করতে পারবে । তাই এই গেমস খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে বাচ্চাদের জন্য ।






ভাল্লুকের মতো: শিশুরা পা ও হাতের ওপর ভর করে মাটিতে ভাল্লুকের মতো হাটবে । খেয়াল রাখতে হবে যেন হাটু মাটিতে না লাগে । আরও মজার জন্য ভাল্লুকের মতো ডাকতেও পারে ।
কাঁকড়ার মতো : শিশুরা হাটু ভেঙ্গে মাটিতে বসে থাকবে । তারপর হালকা করে শরীর পেছনের দিকে হেলে হাতের ওপর ভর করে পিঠ ও কোমর ওপরে তুলবে । ধীরে ধীরে এভাবে চারপাশে চলতে থাকবে ।
অন্যান্য কার্যক্রম : উপরিউক্ত ধাপসমূহ ছাড়াও অন্যান্য ধাপেও ইয়াং অ্যাথলেট খেলাটি পরিচালনা করা যেতে পারে খুবই সুন্দরভাবে ।

No comments:

Post a Comment